ঢাকার বুকে সেই অভিশপ্ত রাস্তা… রাতে গেলে জীবিত ফেরা মুশকিল!
ঢাকার ব্যস্ত শহরের বুকেই আছে এক অদ্ভুত রহস্যময় রাস্তা, যেটা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকেই কেঁপে ওঠেন। দিনে এখানে কিছুই বোঝা যায় না, কিন্তু রাত নামতেই যেন চারপাশে ছায়ারাজ্যের দখল নেমে আসে।
স্থানীয়রা বলে, কয়েক বছর আগে এই রাস্তায় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় একটি পুরো পরিবার মারা যায়। তারপর থেকেই এই রাস্তায় নাকি অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে শুরু করে। গভীর রাতে চলতে থাকা গাড়ির সামনে হঠাৎ করেই দেখা মেলে এক সাদা শাড়ি পরা মহিলার। তিনি নাকি গাড়ির দিকে তাকিয়ে থাকে, তারপর মুহূর্তের মধ্যেই অদৃশ্য হয়ে যায়।
অনেকে বলে, তারা স্পষ্টভাবে মহিলার কান্নার শব্দ শুনেছেন, কিন্তু আশেপাশে কাউকে খুঁজে পাননি। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে—যে কেউ এই রাস্তা দিয়ে রাত ১২টার পর যায়, তার গাড়ির ইঞ্জিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। আর ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই গায়ে কেমন এক শীতল ঠান্ডা অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে।
একজন রিকশাচালক জানিয়েছেন, এক রাতে তিনি যাত্রী নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন সামনের দিকে একটি ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। তিনি যতই কাছে যাচ্ছিলেন, ততই সেটি উধাও হয়ে যাচ্ছিল। পরে যাত্রী ভয়ে রিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়।
এখনও অনেকে বলে, এই রাস্তায় নাকি একটি অদৃশ্য শক্তি ঘুরে বেড়ায়। অনেকেই রাতের বেলা এখানে যেতে এড়িয়ে চলেন। আর যারা সাহস করে যান, তারা ফিরে এসে বলেন—এটা কেবল রাস্তা নয়, যেন এক অজানা জগতের প্রবেশদ্বার…
